1. admin@apurbanews24.com : admin :
  2. Muhammadsaifu2018@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
শুরুতেই পাকিস্তানে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল গঠনের কথা ভাবছিলেন বঙ্গবন্ধু - অপূর্ব নিউজ ২৪
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দুই বছর দুপুরে ভাত খাননি শেখ হাসিনা সখীপুরে কুকুরের দুধ খেয়ে বড় হচ্ছে বিড়ালের বাচ্চা! আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগার ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বার্তা ৭ আগস্ট থেকে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু করবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা রাখতে চান মালিকরা একদিনে রেকর্ড ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি ২৮৭! ফরিদগঞ্জে মানবতার সেবায় দৃষ্ট্রান্ত স্থাপন করলেন সাংবাদিক মামুন পাঠান। রোডম্যাপ ঠিক করেই সরকার ব্যাপক হারে টিকার ঘোষণা দিয়েছে।তথ্যমন্ত্রী দেশে করোনায় মৃত্যু ২১ হাজার ছাড়িয়েছে : সুস্থ হয়েছেন ১১ লাখের বেশি

শুরুতেই পাকিস্তানে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল গঠনের কথা ভাবছিলেন বঙ্গবন্ধু

অনলাইন ডেক্সঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৫০ Time View

শুরুতেই একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল গঠনের কথা ভাবছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি মনে করেছিলেন, পাকিস্তান হয়ে গেছে, সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের আর দরকার নাই। একটা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হবে, যার একটি সুষ্ঠু ম্যানিফেস্টো থাকবে।
পরবর্তী সময়ে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থেকে মুসলিম বাদ দিয়ে ‘আওয়ামী লীগ’ করার মধ্যদিয়ে তিনি তাঁর ভাবনাকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তেও এ কথা উল্লেখ করেছেন।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার এক বছর ১০ মাসের মধ্যে পুরানো ঢাকায় ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে এক রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠিত হয় নতুন একটি রাজনৈতিক দল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। কেন্দ্রীয়ভাবে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। সেই সময় করাগারে থেকেও তিনি পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
এই দলটি যখন গঠিত হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাগারে আটক থাকলেও রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলন, নতুন দলের প্রতিষ্ঠা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর মতামত নেয়া হয়। তিনি নতুন দল গঠনের পক্ষে মত দিয়ে জানিয়েছিলেন, বিরোধী দল সৃষ্টি করতে না পারলে এ দেশে একনায়কত্ব চলবে। পরিষ্কার ভাবে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, আর মুসলিম লীগের পিছনে ঘুরে লাভ নাই, এ প্রতিষ্ঠান এখন গণবিচ্ছিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু তখন ছাত্রলীগেরও সভাপতি। এসময় তিনি আরো জানিয়ে দেন, তিনি আর ছাত্র রাজনীতি করবেন না। রাজনৈতিক দলই করবেন।
রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলন, নতুন দলের প্রতিষ্ঠা ও এর সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে লিখেছেন, ‘পুরানা লীগ কর্মীরা মিলে এক কর্মী সম্মেলন ডাকল ঢাকায়, ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ঠিক করার জন্য। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন সে সভা আহ্বান করা হয়েছিল… আমরা জেলে বসেই সে খবর পাই… আমরা সম্মেলনের ফলাফল সম্বন্ধে খুবই চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলাম। আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিল, আমার মত নেওয়ার জন্য। আমি খবর দিয়েছিলাম, আর মুসলিম লীগের পিছনে ঘুরে লাভ নাই, এ প্রতিষ্ঠান এখন গণবিচ্ছিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এরা আমাদের… নিতে চাইলেও যাওয়া উচিত হবে না। কারণ, এরা কোটারি করে ফেলেছে। একে আর জনগণের প্রতিষ্ঠান বলা চলে না। এদের কোনো কর্মপন্থাও নাই।’
বঙ্গবন্ধু ছাত্র প্রতিষ্ঠান করবেন কিনা এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেন, ‘আমাকে আরও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমি ছাত্র প্রতিষ্ঠান করব, না রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন হলে তাতে যোগদান করব? আমি উত্তর পাঠিয়েছিলাম, ছাত্র রাজনীতি আমি আর করব না, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানই করব। কারণ, বিরোধী দল সৃষ্টি করতে না পারলে এ দেশে একনায়কত্ব চলবে… সকলেই একমত হয়ে নতুন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন করলেন; তার নাম দেওয়া হলো, ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী [মুসলীম] লীগ।’ মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, জনাব শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং আমাকে করা হল জয়েন্ট সেক্রেটারি। খবরের কাগজে দেখলাম, আমার নামের পাশে লেখা আছে, ‘নিরাপত্তা বন্দি’।’
তবে ‘মুসলিম’ শব্দ যুক্ত করে নব প্রতিষ্ঠিত দলের নামকরণ নিয়ে যে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না , সেটিও তিনি গোপন রাখেন নি। বঙ্গবন্ধু ‘অসমাপ্ত আতœজীবনী’তে লিখেন, ‘আমি মনে করেছিলাম, পাকিস্তান হয়ে গেছে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের দরকার নাই। একটা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হবে, যার একটা সুষ্ঠু ম্যানিফেস্টো থাকবে। ভাবলাম, সময় এখনও আসে নাই। তাই যারা বাইরে আছেন তারা চিন্তাভাবনা করেই করেছেন।’
লেখক মহিউদ্দিন আহমদ ‘আওয়ামী লীগ উত্থানপর্ব ১৯৪৮-১৯৭০’ গ্রন্থে বলছেন, ‘দলের নামের সঙ্গে মুসলিম শব্দটি থাকায় পরবর্তীতে কেউ কেউ আপত্তি করছিলেন। এ নিয়ে দলে বেশ একটি বিরোধ তৈরি হয়েছিল, যে মুসলিম শব্দটি থাকবে নাকি থাকবে না।’ তখন হিন্দু এবং মুসলিম আসনে আলাদাভাবে নির্বাচন হতো। ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় একটা সমঝোতা হয়েছিল যে, এই দলটি একটি অসাম্প্রদায়িক দল হবে। ওই নির্বাচনে ২৩৭টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন পায় যুক্তফ্রন্ট, যা পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সঙ্গে কৃষক শ্রমিক পার্টি, পাকিস্তান গণতন্ত্রী দল, পাকিস্তান খেলাফত পার্টি আর নেজামে ইসলামী পার্টির সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল। আওয়ামী মুসলিম লীগ পেয়েছিল ১৪৩টি আসন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ আওয়ামী মুসলিম লীগে যে কাউন্সিল হয়, সেখানে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। ফলে, অমুসলিমরাও এই দলে যোগ দেয়ার সুযোগ পান। তবে, পূর্ব পাকিস্তান শব্দ দুইটি বাদ পড়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে। বাংলাদেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর থেকে প্রবাসী সরকারের সব কাগজপত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নাম ব্যবহার হতে শুরু করে।
সূত্র:বাসস

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 বিঃ দ্রঃঅপূর্ব নিউজ ২৪.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।Apurbanews24
Theme Customized BY WooHostBD