1. admin@apurbanews24.com : admin :
ফরিদগঞ্জে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা একটি পরিবার বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের গোজামিল দায়ভার কার ? - অপূর্ব নিউজ ২৪
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পরিকল্পিত পদক্ষেপেই বাংলাদেশ শীর্ষ এসডিজি বাস্তবায়নকারী দেশের একটি হতে পেরেছে : প্রধানমন্ত্রী এদেশের রাজনীতিতে হিংস্রতা আর ষড়যন্ত্রের হোতা বিএনপি : সেতুমন্ত্রী আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কাল শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র লৎফর রহমানের ইন্তেকাল বাইডেনের সাথে বৈঠকে ‘নতুন যুগের’ সূচনা হয়েছে : এরদোগান ইতালিতে ২৮ জুন থেকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক শুরুতেই পাকিস্তানে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল গঠনের কথা ভাবছিলেন বঙ্গবন্ধু

ফরিদগঞ্জে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা একটি পরিবার বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের গোজামিল দায়ভার কার ?

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১
  • ৭৬ Time View
গ্রাহকের ব্যবহৃত মিটার ও মেইন সুইচ ও মোবাইলে আসা ম্যাসেজ। ফরিদগঞ্জে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা একটি পরিবার বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের গোজামিল দায়ভার কার ?
গ্রাহকের ব্যবহৃত মিটার ও মেইন সুইচ ও মোবাইলে আসা ম্যাসেজ। ফরিদগঞ্জে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা একটি পরিবার বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের গোজামিল দায়ভার কার ?

আমি বিদ্যুতের এ মিটারটি অনেক কষ্টে নামিয়েছি। আমার স্বামী মাইন উদ্দিন একজন শ্রমিক। আমরা কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে জীবনে বেচে আছি। প্রতি মাসে আমগো বিল আসতো একশ টাকা থেকে দেড়,শ টাকা। কিন্তু কেন মার্চ ২০২১ মাসে এতো টাকা বিল আসছে তা আমার জানা নেই। পল্লী বিদ্যুতের স্যারেরা আমার সাথে যে ব্যবহার কইচ্ছে আমরা গরীব তাতে কি হইছে, আমরাও তো মানুষ। হেতারা আমগোরে বিল দিতাম কই অফিসেত্বে নামাই দিছে। আমরা একটা বাতি আর ফ্যান ছাড়া কোন কিছু চালাই না। আন্নেরাতো দেখছেন এছাড়াও আমাদের ঘরে আর কোন কিছু নাই। এক মাসে ১১০/১২০ টাকার হরিবর্তে ৭৮,৬৮৯টাকা বিল কেন্নে অয়? কিল্লাই বিল দিতাম? সরকারের কাছে এর বিচার চাই।
এভাবেই বর্ননা করেন ভুতুরে বিলের শিকার রুমা আক্তার নামে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০২ ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের আওতাধীন পল্লী বিদ্যুতের এক গ্রাহক। তার ব্যবহৃত মিটারে ১২০টাকার বিপরীতে একমাসে ৭৮হাজার ৬শত ৭৯টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে। তাই ভুতুরে এই বিলে বর্তমানে দিশেহারা ঐ পরিবারটি। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গোজামিলে আরো অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবারটি। সচেতন নাগরিকের প্রশ্ন এই দায়ভার কার? গ্রাহক ও স্থানীয়দের অভিযোগ ওই মিটারটিতে মাত্র একটি এনার্জি লাইট ও একটি ফ্যান ব্যবহৃত হয়। সর্ট সার্কিটের কারনে এই বিল এসেছে বলে এমন একটি অযৌক্তিক কারন ও গোজামিল দেখিয়ে জোনাল অফিসের ডিজিএম এই নিয়ম বহির্ভূত বিল পরিশোধ করতে তাদেরকে বাধ্য করছেন বলে অভিযোগ করেন রুমা আক্তার।
ভুতুড়ে বিলের ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলা ১৬নং রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ গ্রামের বেপারী বাড়িতে গৃহবধু রুমা আক্তারের ব্যবহৃত পল্লী বিদ্যুৎ (হিসেব নং ০৩-৫৩৬-১১৭৮) নং মিটার টিতে।
সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগী গ্রাহক রুমা আক্তার জানান, গত ৫ বছর যাবত ওই মিটারটি ব্যবহার করে আসছেন, তিনি মিটারটিতে একটি ফ্যান ও একটি বাতি ও মোবাইল চার্জার ব্যবহার করে আসছেন। প্রতি মাসে ১শত টাকা, ১শত বিশ বা ১শত ৫০ টাকার মধ্যে বিলের সিমাবদ্ধতা ছিলো। বিদ্যুতের পূর্বের বিলের কপি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে রূমা আক্তার নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করে চলতি বছরের মার্চ মাসে তিনি মোবাইলের মাধ্যমে জানতে পারেন মার্চ মাসে তার বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৭৮,৬৮৯ টাকা। এমন তথ্য পেয়ে তিনি ছুটে যান ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে, সেখানে গিয়ে কোন সমাধান মিলেনি বরং কর্তৃপক্ষের ব্যবহারে নাখোশ হয়েছেন বলে জানিয়েছে রুমা বেগম।
এদিকে স্থানীয়দের সাথে নিয়ে রুমা আক্তারের ব্যবহৃত ঘরটিতে একটি ফ্যান ও একটি বাতি ছাড়া আর কোন কিছুই চোখে পড়েনি। ঐ মিটারটি দিয়ে অন্য কিছু চার্জ দেয়া কিংবা ব্যবহার করা কিংবা সর্ট সার্কিট এর কোন আলামত পাওয়া যায়নি। পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের দায়িত্বশিল কোন কর্মকর্তা ঘটনার স্থান পরিদর্শনে না গিয়ে দাবী করেছেন মিটারটিতে সর্ট সার্কিট হয়েছে। তাই এমন বিল এসেছে।
এবিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০২ এর ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসে কর্মরত ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মুহাম্মদ নূরল হোসাইনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলে তো আর বিল আসে না, আমি খোঁজ নিয়েছি ওই খানে সর্ট সার্কিট হয়েছে। আমি বলে দিয়েছি গ্রাহককে বিল গুলো দিয়ে দেওয়ার জন্যে। সর্ট সাকির্ট হয়ে শুধু বিদ্যুৎ বিল এসেছে, কোনো অগ্নীকান্ড, মেইন সুইচ কিংবা মিটারের কোন ক্ষতি হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এবিষয়ে আমি আর কথা বলতে চাই না আপনারা ইউএনও মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করেন, ইউএনও স্যার বিষয়টি জানেন এ বলে তিনি আর কথা বলেন নি।
এবিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরির সাথে কথা হলে তিনি জানান, এমন কোন ঘটনা আমার জানা নেই। তিনি ডিজিএমকে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে ডিজিএম গ্রহণ যোগ্য কোন উত্তর দিতে পারেন নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 বিঃ দ্রঃঅপূর্ব নিউজ ২৪.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।Apurbanews24
Theme Customized BY WooHostBD
Translate »